বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে অপরাধ সম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণে সামসু-তোফায়েল সিন্ডিকেট, বেপরোয়া রামরাজত্ব কায়েম টেকনাফের সাবরাংয়ে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজারসহ জব্দ ৩ ড্রাম ট্রাক আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা আলফাডাঙ্গায় পুনঃখননে প্রাণ ফিরে পেল খাল, কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি জুমার দিনের ফজিলত টিটা ভাসমান সেতু বাওড়ের জলে নতুন প্রাণের স্পন্দন, অবমুক্ত ৬৮০ কেজি দেশীয় মাছের পোনা বাবার বকুনিতে অভিমান, তরতাজা যুবকের প্রাণ গেল বিষপানে নাফে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপের গুলিবর্ষণ, ছিনিয়ে নিয়ে গেল নৌকা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সকলকে ‘ঈদ মোবারক’ টেকনাফে শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক আসামি নবী হোসেন গ্রেপ্তার

টেকনাফে অপরাধ সম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণে সামসু-তোফায়েল সিন্ডিকেট, বেপরোয়া রামরাজত্ব কায়েম

ক্রাইম রিপোর্টার / ৯৫ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ই/য়া/বায় উত্তান, ই/য়া/বায় নেতা, ই/য়া/বায় সমাজসেবক অতঃপর এই ভয়াল ই/য়া/বায় ইউপি সদস্য থেকে প্যানেল চেয়ারম্যানের পাল্লায় গিয়ে রামরাজত্ব। বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভয়ংকর সামসু ওড়ফে গুটি আলুগোলা।

এমনই পরিচয় দিয়ে নিমিষেই জিম্মি করে রেখেছে পুরো একটি ইউনিয়ন। টেকনাফ উপজেলাধীন সাবরাং ইউনিয়ন।

আত্মস্বীকৃত শীর্ষ এই মা/দ/ক কারবারি
শামসুল আলম মেম্বার (আলুগোলা) হলেন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ৪নং সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য (মেম্বার)। তাঁর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়া এলাকা।

অভিযোগ রয়েছে, সামসু মেম্বারের আপন ছোট ভাই তোফায়েল ঘরোয়া মা/দ/ক সিন্ডিকেটের অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী। এলাকায় অ/স্ত্রবাজি, মা/দ/ক, চো/রাচা/লান/ কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করেন এই তোফায়েল। সামান্য মনমালিন্য বা কথা-কাটাকাটিতে দিন-দুপুরে গুলি করতে দ্বিধাবোধ করেন না এই ভয়াল তোফায়েল।

প্রসঙ্গত, ৪ অক্টোবর ২০২৬ইং দুপুরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়া বাজারে এক ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়েছে এই ভাই-ভাই সিন্ডিকেট। এতে অন্তত দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় টেকনাফ উপজেলা হাসাপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালও পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম রেফার করেছে বলে জানা গেছে।

আহতরা হলেন- সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার মৌলভী আবদুল গফুরের ছেলে হেলাল ও সাবেক মেম্বার সব্বিরের ছেলে হারুন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবরাং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার শামসু এবং তার ভাই তোফায়েলের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়া বাজারে অধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে শামসু মেম্বার ও তার ভাই তোফায়েলের সমর্থকদের সাথে অন্য একটি পক্ষের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শামসু মেম্বার ও তার ভাইয়ের নির্দেশে তাদের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে।

হঠাৎ বাজারে গোলাগুলির শব্দে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ প্রাণভয়ে দিকবিদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। এই গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের শরীরে গুলির আঘাত রয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, শামসু মেম্বার ও তার ভাই তোফায়েলের এলাকায় ব্যাপক প্রভাব রয়েছে এবং তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না। এই গোলাগুলির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়।

উক্ত ঘটনার বরাতে মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গোলাগুলির ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

#টেকনাফ
#সাবরাং
#shyamolbangladesh


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ
Developed By AZAD WEB IT