কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবনিয়া এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তিনটি ড্রাম ট্রাক, একটি ড্রেজার মেশিনসহ প্রায় ৫০০ ট্রাক মাটি জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনিক চৌধুরীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে কাটাবনিয়া এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের স্থান থেকে এসব সরঞ্জাম ও উত্তোলন করা মাটি জব্দ করা হয়।
অভিযানে সাবরাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির আহমদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল ফয়েজ ও আব্দুস সালামসহ টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেন, “জব্দকৃত মালামাল সরকারি কোষাগারে জমা রাখা হবে। উত্তোলন করা মাটি সরকারি কাজে ব্যবহার করা হবে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাটাবনিয়া এলাকার আব্দুল মাজেদের ছেলে শওকত, আলমগীর ও সালাহউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক বছর ধরে অব্যাহতভাবে মাটি উত্তোলনের কারণে বিপুল পরিমাণ মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে কাটাবনিয়ার লামারপাড়া এলাকার প্রায় ১০০ পরিবারের ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অপরদিকে সাবরাং টুরিজম পার্কের মাটিও রাতে বিক্রি করছে তারা। যার ফলে বেড়িবাঁধ ও ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বসতবাড়ি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
টেকনাফের সাবরাংয়ে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজারসহ জব্দ ৩ ড্রাম ট্রাক
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:-
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবনিয়া এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তিনটি ড্রাম ট্রাক, একটি ড্রেজার মেশিনসহ প্রায় ৫০০ ট্রাক মাটি জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনিক চৌধুরীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে কাটাবনিয়া এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের স্থান থেকে এসব সরঞ্জাম ও উত্তোলন করা মাটি জব্দ করা হয়।
অভিযানে সাবরাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির আহমদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল ফয়েজ ও আব্দুস সালামসহ টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেন, “জব্দকৃত মালামাল সরকারি কোষাগারে জমা রাখা হবে। উত্তোলন করা মাটি সরকারি কাজে ব্যবহার করা হবে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাটাবনিয়া এলাকার আব্দুল মাজেদের ছেলে শওকত, আলমগীর ও সালাহউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক বছর ধরে অব্যাহতভাবে মাটি উত্তোলনের কারণে বিপুল পরিমাণ মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে কাটাবনিয়ার লামারপাড়া এলাকার প্রায় ১০০ পরিবারের ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অপরদিকে সাবরাং টুরিজম পার্কের মাটিও রাতে বিক্রি করছে তারা। যার ফলে বেড়িবাঁধ ও ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বসতবাড়ি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
All rights reserved © 2026 ShyamolBangladesh.Com
Developed by : AZAD WEB IT