শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় টেকনাফ প্রেসক্লাবের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিশাল ভোল মাছ, বিক্রি হল চড়া দামে হোয়াইক্যং মুরগির খামারে মিললো বিপুল ইয়াবা, শামীম গ্রেপ্তার টেকনাফে এলজিইডি কর্তৃক ক্লাস্টার উন্নয়ন প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত টেকনাফ প্রেসক্লাব কমিটি প্রয়াত ইউনুছ সিকদার জন্য টেকনাফ পৌর আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ফেসবুকে ‘ঢাকা যাওয়ার’ পোস্ট, আলফাডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার টেকনাফে চাঞ্চল্যকর বিএনপি নেতা ইউনুছ হত্যা, বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মুক্তিপণ বাণিজ্যের মূলহোতা ‘গুরা ভাই’ শীর্ষক সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ টেকনাফে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া: দলীয় লেজুড়বৃত্তিক সাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন

অপহৃতদের মুক্তিপণে ছেড়েছে দুর্বৃত্তরা

শেখ আহমদ, টেকনাফ / ১২০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় জ্বালানি কাঠ সংগ্রহকালে অপহৃত পাঁচজনকে দুইদিন পর ছেড়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে তাদের ছেড়ে দিতে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ প্রদান করেছে স্বজনরা।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে অপহৃতদের ৫ জনকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়েনের পানখালী পাহাড়ের পাদদেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হুমায়ুন কাদের চৌধুরী।

অপহৃতরা হলেন, টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠ পাড়া ও বাইন্ন্যা পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল হকের ছেলে মারুফ উল্লাহ (১৮), মোহাম্মদ হাসানের ছেলে মোহাম্মদ কাইফ উল্লাহ (১৭), হামিদুল হকের ছেলে মোহাম্মদ ইসা (২৮), মৃত কালা মিয়ার ছেলে ইউসুফ উল্লাহ (৩০) এবং শফিউল আজমের ছেলে মো. আবুইয়া (২০)।

গত বুধবার সকালে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মাঠ পাড়া ও বাইন্ন্যা পাড়া এলাকার ১৫ জন লোক স্থানীয় পাহাড়ে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে যান। এক পর্যায়ে স্থানীয় চাকমা পাড়া সংলগ্ন এলাকার পূর্ব পাশের পাহাড়ি এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে। পরে তাদের মধ্যে ৫ জনকে জিম্মি রেখে অন্যদের ছেড়ে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুন কাদের চৌধুরী বলেন, ঘটনার ২ দিন পর দুর্বৃত্তরা তাদের ছেড়ে দেয়। এর আগে বুধবার রাতে অপহৃতদের ছেড়ে দিতে স্বজনদের কাছে মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে কয়েক দফায় আলোচনা করে ৫ জনের পরিবার মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ পাঠানোর পর এদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে মুক্তিপণের টাকা কি প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়েছে তা বলতে নারাজ পরিবার।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি অবহিত হওয়ার পর থেকে পুলিশ অপহৃতদের উদ্ধারে টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছিল। এক পর্যায়ে এদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্বজনরাও মুক্তিপণ প্রদানের কোনো তথ্য পুলিশকে জানাননি। ৫ জনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের তথ্য বলছে, গত ১৩ মাসে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২২৪ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে একই সময়ে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে ৮৭ জনকে অপহরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন